এত তথ্যের কী দরকার?

এত তথ্যের কী দরকার?

তথ্যের চাপে পিষ্ট হওয়া অনিবার্য হয়ে ওঠার প্রেক্ষিতে মো. আব্দুল হামিদ লিখেছেন এত তথ্যের কী দরকার?

এক ভদ্রলোক আইনস্টাইনকে লিখলেন, আমি খুব সম্ভবত পাগল হয়ে যাচ্ছি; এমতাবস্থায় যদি করণীয় বলতেন। তিনি নাকি সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছিলেন– আপাতত সংবাদপত্র পড়া বাদ দিন–আশাকরি কিছুদিনের মধ্যেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে! এক শতাব্দী আগের প্রেসক্রিপশনই যদি এটা হয়, অবাধ তথ্যপ্রবাহের এইযুগে কী যে বলতেন–তা কল্পনা করাও মুশকিল।

তবে টেলিভিশনের স্ক্রল, প্রতিঘন্টায় আপডেটেড খবর, মাঝেমধ্যেই ব্রেকিং নিউজ, ডজন ডজন জাতীয়-স্থানীয়-বিশেষায়িত সংবাদপত্র, সহস্রাধিক অনলাইন পোর্টাল, জনপ্রিয় সব সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, হোয়াটস্অ্যাপ, টুইটার, ইউটিউব, লিংকডইন, ব্লগ ইত্যাদি), অফলাইনে পড়ার সুযোগ সম্বলিত স্মার্টফোন, প্রমোশনাল ইমেইল ও মেসেজসহ বিবিধ উৎস যেভাবে নিরন্তর ইনপুট দিচ্ছে–তারপরেও মাথাটা কাজ করছে দেখে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া উপায় দেখি না!

পোস্ট ক্রাইসিস বিজনেস
একটু পড়ে দেখুন

খুব জানতে ইচ্ছে করে, কয়েক দশক আগেও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ঘটমান বিষয়াবলীর তেমন কিছুই জানার সুযোগ ছিল না। তাই বলে তারা কী খুব খারাপ মানের জীবনযাপন করত? রকমারি তথ্যের বাহার কী আমাদের জীবনকে সত্যিই সুখময় ও শান্তিপূর্ণ করেছে? উত্তর যদি ‘না’ হয় তবে শিরোনাম বাক্যটা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে বৈকি।

গণমাধ্যমে ‘নিউজ ভ্যালু’ বলে একটা কথা চালু আছে। অর্থাৎ মানুষ যা দেখতে বা শুনতে চায় গণমাধ্যম সেই বিষয়গুলোকেই চিত্তাকর্ষকভাবে উপস্থাপন করে। হঠাৎ এই ধারার বাইরে গেলে অবশ্য মাথায় হাত পড়ারও শংকা থাকে। বেশ আগে পড়েছিলাম–রাশিয়ান এক রেডিও কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা কোনো নেতিবাচক (মন খারাপ হয় এমন) খবর বা অনুষ্ঠান প্রচার করবে না। কিছুদিন পরে জানা গেল–ওই স্টেশন কেউ শুনছেই না!

অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে সুষ্ঠুভাবে ঘটমান বিষয়গুলো আমাদের মোটেই আকর্ষণ করে না। ফলে যতো বড় অ্যাক্সিডেন্ট, যতো বেশি প্রাণহানি–ততো লোভনীয় মিডিয়া পণ্য! তাইতো প্রতিদিন ভয়ংকর সব দূর্ঘটনা, নৃশংস খুন, গণধর্ষণ, অ্যাসিড নিক্ষেপ, অগ্নিকান্ড ও বর্বর নির্যাতনের মতো হাজারো মনখারাপ করা বিষয়গুলো বারংবার চোখের সামনে আসে।

একসময় উৎস হিসাবে শুধুমাত্র মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো ছিল। নানা সমালোচনার পরে তাদের অনেকেই এখন বীভৎস ছবি ছাপে না, সরাসরি লাশের ছবি দেখায় না। কিন্তু তথাকথিত বিকল্প মাধ্যমগুলোতো কারো তোয়াক্কা করে না।

একালের নায়ক (অসম্ভবকে সম্ভব করাই যার কাজ) যেমন একটানে হৃৎপিন্ডটা বের করে প্রেমিকার কাছে সমর্পণ করে; ঠিক তেমনিভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের হিরোরা পারলে ধর্ষণের চিত্রটাও লাইভ তুলে ধরে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অনেকেই এমন সব ছবি পোস্ট করেছেন যা দেখলে হার্টের রোগী ও শিশুদের বড় ক্ষতি হতে পারে।

তারা কেভিন কার্টারের মতো (সুদানে দুর্ভিক্ষপীড়িত শিশুর ছবি তুলে বিশ্বময় খ্যাতি পেলেও শিশুটির জীবনরক্ষায় কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার অনুশোচনা থেকে যিনি আত্মহত্যা করেছিলেন) বিবেকদ্বারা তাড়িত হবে–সেটা প্রত্যাশা করাও বাতুলতামাত্র।

মো. আব্দুল হামিদের বই
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

একযুগ আগেও সংবাদবিষয়ক তথ্যাদি তুলনামূলকভাবে দুষ্প্রাপ্য ছিল। হরতাল-অবরোধ বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের খবর জানতে সন্ধ্যায় বিবিসি’র বাংলা অনুষ্ঠান কিংবা পরেরদিনের সংবাদপত্রের পাতায় চোখ বুলাতে হতো। ফলে সাধারণ মানুষ ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ ইত্যাদি বিষয়ক কাজগুলোতে নিবিড়ভাবে মনোযোগী হওয়ার অনেক সময় পেত।

কিন্তু এখন অফিস, বাসা, গাড়ী, ফুটপাত, পার্ক, এমনকি আড্ডার মাঝেও ঘটমান তথ্যের অনুপ্রবেশ একান্ত মনঃসংযোগে দারুণ ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে; মাঝেমধ্যে রক্তচাপও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া চারপাশের ঘনিষ্ঠ মানুষগুলো ব্যস্ত থাকায় বিষয়গুলো সরাসরি শেয়ার করার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ছে।

ফলে নিয়মিত টেনশনে ভোগাটা যেন আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারকারীদের নিয়তিতে পরিণত হয়েছে! তদুপরি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সুবাদে আশেপাশের মানুষ ও ঘটনার বিশ্লেষণ (মূলত পরনিন্দা, পরচর্চা, পরশ্রীকাতরতা) প্রবণতা বেড়েছে জ্যামিতিক হারে।

বেশিমাত্রায় স্যোশালমিডিয়া ব্যবহারকারীরা প্রায়শ এটা ভেবে তৃপ্ত হন যে, এর মাধ্যমে তারা অনেক কিছু জানতে পারছেন। কথাটা আংশিক সত্য হলেও–তা একটা ভালো বই কিংবা প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র পড়ার বিকল্প হতে পারে না। কারণ সস্তা জনপ্রিয়তা প্রত্যাশী ওই মাধ্যমগুলোতে যে কেউ, যা তা, চাওয়ামাত্রই উপস্থাপন করতে পারে।

প্রকাশনার পূর্বে অভিজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বিষয়বস্তু যাচাই-বাছাই, বিশ্লেষণ, সম্পাদনা, পরিবর্ধন-পরিমার্জন না হওয়ায় ব্যক্তিগত রাগ-ক্ষোভ, তীব্র অনুভূতি হঠাৎ পাবলিক হয়ে যাবার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। পাশাপাশি আমাদের বন্ধু তালিকায় থাকা অনেকেই অতিসংবেদনশীল তথ্য (যাচাই না করে অথবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে) শেয়ার করে আমাদের মনোযোগ কাড়ে–যা ক্ষণিকের জন্য হলেও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে।

আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন

শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশের জন্য আমাদের চারপাশে রয়েছে অসংখ্য উপাদান, শেখার উপলক্ষ। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখতে হয় বাস্তবতা থেকে। কিন্তু আমাদের শিশুরা স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার, টেলিভিশন ইত্যাদি থেকে শিখছে কল্পরাজ্যের কথা।

সেখানে চাইলেই কাউকে খুন করা যায়, হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো যায়, কিংবা পছন্দের মানুষকে সঙ্গী হিসেবে পাওয়া যায়। ফলে তাদের ‘সবকিছু পাবার’ যে মনোভাব সৃষ্টি হচ্ছে–বাস্তবে তার ব্যত্যায় ঘটলেই আর মানতে পারছে না। হয়তো সে কারণেই তারা সহপাঠী, কল্পিত প্রেমিকা, এমনকি মা-বাবাকেও খুন করতে দ্বিধা করছে না।

বছর খানেক আগের কথা। এক চ্যানেলে মধ্যরাতের সংবাদে জানলাম বাংলাদেশে শীঘ্রই ৯ বা তারচেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হবে! এপ্রসঙ্গে অবধারিতভাবেই এলো সিলেট প্রসঙ্গ। একজনতো বলেই ফেললেন, এই অঞ্চল ভূগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। খুবই টেনশন অনুভব করলাম।

একযুগের বেশি সময় কর্মসূত্রে এখানে বসবাস করছি। নিজ পরিবারের পাশাপাশি অসংখ্য বন্ধু-সহকর্মী, স্নেহের ছাত্র-ছাত্রী, পরিচিতজনের বাস এই অঞ্চলে। যদি সত্যিই এমনকিছু ঘটে–তবে কী ভয়ংকর হবে বিষয়টা? এসব ভেবে কিছুতেই ঘুম আসছিল না, খুব অস্থির লাগছিল। হঠাৎ মনে হলো–আচ্ছা, মানুষের মৃত্যুতো নানাভাবেই হতে পারে।

সবকিছু ঠিক থাকার পরেও মানুষ ঘুমের মধ্যে স্ট্রোক করে মারা যায়। আমারক্ষেত্রেও সেটা যেকোনো সময়ই হতে পারে। তাহলে ভূমিকম্প, লঞ্চডুবি, সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড, নাকি হার্টফেল করে মারা যাবো সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোনো মানে হয়? বরং যতোক্ষণ বেঁচে আছি, সুস্থ আছি–ততোক্ষণ জীবনকে তাৎপর্যপূর্ণ করতে সচেষ্ট থাকাটাই আসল কথা। তারপরে বেশ দ্রুতই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, তথ্য প্রবাহের আলোচনার মাঝে হঠাৎ ভূমিকম্পকে টেনে আনলাম কেন? পাল্টা প্রশ্ন করা যায়–মিডিয়ার কাজ কী শুধু আতংক সৃষ্টি করা? সবাই বলছে, এটা হবে–সেটা হবে, হবার পরে এই অঞ্চলটির কী হবে ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার ‘রেড জোন’ চিহ্নিত করে মানচিত্র প্রকাশ করছে!

শিক্ষা স্বপ্ন ক্যারিয়ার
বইগুলো সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন…

হয়তো ধারণাগুলো ঠিকই আছে। কিন্তু ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় মানুষগুলোর জানমাল রক্ষার্থে, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে কী করণীয়–তা নিয়ে খুব একটা কথা হচ্ছে না। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বের কাছে ‘মডেল’ হিসাবে স্বীকৃত। অথচ প্রকৃতিসৃষ্ট সম্ভাব্য এই দুর্যোগে সবাই হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকব?

গণমাধ্যমের শক্তি অনেক। তারা উদ্যোগ নিলে অনেকেই সাড়া দেবে। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আপনারা বারংবার বসুন। বিশ্লেষণ করে সবাইকে বলুন, লিখুন–শংকাটা যদি সত্যি হয় তবে কার কী কর্তব্য। এক রানাপ্লাজা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে–এজাতীয় ঘটনায় আমরা কতোটা অসহায়।

তাই প্রস্তুতি হিসাবে সরকার, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠনগুলো কী ভূমিকা রাখতে পারে তা নিয়ে ব্যাপক ‘গণসচেতনতা গড়ে তোলা’ দরকার। পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা হাতে-কলমে শেখানো প্রয়োজন। কারণ এমন কিছু ঘটে গেলে প্রাথমিক পর্যায়ে নিজেরাই নিজেদের সাহায্য করতে হবে।

দরকারি সামান্য তথ্যও কীভাবে সাহায্য করতে পারে তার উদাহরণ পড়েছিলাম বিদেশী এক ম্যাগাজিনে। সুউচ্চ ভবনে বসবাসকারী ব্যক্তির উচিত ভূমিকম্পন টের পাওয়ামাত্রই একটুকরা কাপড় ও একবোতল পানি হাতের কাছে নেওয়া।

কারণ ভবন ধ্বসে পড়ার পরেও অধিকাংশ মানুষই বেঁচে থাকে। তবে ঘরের কোণ কিংবা আসবাবের ফাঁকফোকরে আটকে পড়া মানুষটিও খুব দ্রুতই অসহায় বোধ করতে শুরু করে। কারণ চারপাশে ছড়িয়ে পড়া ডাস্ট দ্রুত নাক ও মুখ দিয়ে ঢুকে পড়ে! ফলে শ্বাসনালীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
সাহায্য করার মতো কেউ আশেপাশে না থাকায় কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকে মারা যায়। কিন্তু কাপড় দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে নিলে এর তীব্রতা বহুলাংশে কমে যায়। তারপর একটু পানি খেতে পারলে গলা পরিস্কার হয় এবং ছোটখাটো অনেক সমস্যা দূর হয়। তাছাড়া শুধুমাত্র পানি খেয়েও কয়েকদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকা সম্ভব।

এইজাতীয় করণীয়গুলো প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা হওয়া দরকার। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ‘স্বেচ্ছাসেবক’ হিসাবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। কিন্তু আমরা শুধুমাত্র আতংকিত হবার তথ্যগুলো পাচ্ছি। করণীয় বিষয়ে সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ও নির্দেশনা বড়ই দুর্লভ। এ-যেন সেই বৃদ্ধ নাবিকের দশা। চারপাশ পানিবেষ্টিত অথচ পান করার মতো একফোঁটা পানিও নেই। এতো তথ্যের ভীড়ে সত্যিকার কাজে লাগার মতো তথ্যের কতোই না অভাব!

শিক্ষণীয় এক ঘটনা এক্ষেত্রে বোধহয় প্রাসঙ্গিক হবে। মধ্যআকাশে বিমানের যান্ত্রিকত্রুটি ধরা পড়েছে। চারপাশে আতংক ছড়িয়ে পড়লেও এক ভদ্রলোক নিবিষ্ট মনে বই পড়ছেন। দৃশ্যটা দেখে পাশের ভদ্রমহিলা নিজেকে আর সংযত রাখতে পারলেন না। রেগে বললেন, কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা মরতে যাচ্ছি; অথচ আপনার রঙ লেগেছে বই পড়ার! কেমন লোক আপনি, হ্যাঁ?

ভদ্রলোক শান্তভাবে পাল্টা প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা আমিও যদি আপনাদের সাথে চিৎকার চেঁচামেচিতে যোগ দেই–তবে কী বিমানটা রক্ষা পাবে? মহিলা বললেন– না, তা ঠিক না। ভদ্রলোক বললেন, যদি সত্যিই ক্র্যাশ হয় তবে আপনারও যা পরিণতি হবে, আমারও তা। কিন্তু যদি বেঁচে থাকি তবে এই সময়ে অর্জিত জ্ঞানটুকু বাস্তবজীবনে কাজে লাগাতে পারব।

তাই কী হলে কী হবে জাতীয় তথ্যে উদ্বিগ্ন না হয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী জানতে ও শিখতে হবে; প্রয়োজনের সময় সেই জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। তাছাড়া হাল আমলের ‘তারকা’দের বিয়ের তথ্য প্রকাশের আগেই ‘লিক হওয়া’ ডিভোর্সের খবর কিংবা সকাল-বিকাল ভেঙ্গে খানখান হওয়া ব্যান্ডদলের চুলচেরা বিশ্লেষণ–খুব কী দরকারি? পরিশেষে বলব– সরবরাহ আছে বলেই কাজে লাগে না এমন হাজারো ‘অপ্রয়োজনীয় তথ্য’ দিয়ে মাথাটা ভরব কিনা, সে সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে।

উৎস: মো. আব্দুল হামিদের প্রথম বই ‘শিক্ষা স্বপ্ন ক্যারিয়ার’ থেকে সংকলিত (ঢাকা: দিব্যপ্রকাশ, পৃ. ৬১-৬৬)। নাম নিয়ে মজার একটি লেখা পড়ুন এখানে।

ভালো লাগলে বন্ধুদের বলুন, মন্দ লাগলে আমাদের জানান

Follow Me

আপনার মস্তিষ্কের মালিকানা বুঝে নিন…

মস্তিষ্কের মালিকানা
error

করোনা কিন্তু করুণা করে না!!!

mahamid.biz@gmail.com
WhatsApp