কেউ আমাদের খুন করছে না!

কেউ আমাদের খুন করছে না!

Summary:

Wafer cake sweet roll cheesecake ice cream gingerbread sweet. Wafer gingerbread apple pie cotton candy jelly. Toffee oat cake oat cake toffee tootsie roll muffin sugar plum.

আপনাদের নিশ্চয়ই ‘নো ওয়ান কিলড্ জেসিকা’ মুভির কথা মনে আছে। এক পার্টিতেসবার সামনে খুন হয় জেসিকা নামের মেয়েটা।কিন্তু প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় কোনোভাবেই প্রমাণ করা যায় না, ঠিক কাদের দ্বারা সে খুন হয়েছে! ভোক্তা হিসাবে আজআমাদের পরিণতিওতথৈবচ।তানা হলে চড়াদামে কিনেবিষাক্ত সব বস্তুভোগ করাটা কেন অপরিহার্য হয়ে উঠবে? পুরো জাতিক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিঅথচ সেজন্য কাউকেই ঠিক সেভাবে দোষীসাব্যস্ত করাযাচ্ছে না! ফলেবিষয়টা নিয়ে ভাবার সময়কেন যেন বারংবারঅসম লড়াইয়ে বিধ্বস্ত ও পর্যুদস্তজেসিকার বড়বোন(বিদ্যা বালান)-এরজায়গায় নিজেকে দেখতে পাই।

১৫ মার্চ বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস। এবছরের প্রতিপাদ্য বিষয়হলো ̶নির্ভরযোগ্য আধুনিক পণ্য (ঞৎঁংঃবফ ংসধৎঃ চৎড়ফঁপঃং)। অর্থাৎ প্রযুক্তির উন্নয়ন, আর্থিক সমৃদ্ধি, জীবনযাপনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী ইত্যাদি বিষয় আমাদের অহরহ অত্যাধুনিক সব পণ্য ভোগে উদ্বুদ্ধ কিংবা বাধ্য করছে। কিন্তুজীবনকে আরামদায়ক করার পাশাপাশি অনেকক্ষেত্রেই সেগুলো ভয়াবহ ক্ষতিকর বলে গণ্য হচ্ছে। এখনই লাগাম না টানলে একসময় তা মানববিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে।এই বিষয়টা বিবেচনায় রেখেপ্রতিটি পণ্যের উৎপাদন, মজুদ, বণ্টন, ভোগ ও বর্জ্যব্যবস্থাপনায় মনেযোগী হওয়ার দাবীই এবারের ভোক্তা অধিকার দিবসে বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত হচ্ছে জোরেশোরে।

১৯৬২ সালের এই দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা বিষয়ে কংগ্রেসে এক ভাষণ দেন। যেকোনো পণ্য ক্রয় ও ভোগকালে অন্তত চারটি বিষয়ে (নিরাপদ থাকা, প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রাপ্তি, বিকল্প থেকে পছন্দ করা, ও দরকার হলে অভিযোগ করা) অধিকার নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘ এগুলোর সাথে আরও চারটি অধিকার যুক্ত করে ‘জাতিসংঘ ভোক্তা অধিকার রক্ষা নীতিমালা’ প্রণয়ন করে। যদিও ডেনমার্কে ১৯৪৭ সালে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায়প্রথম সংগঠনের উদ্ভব হয়। যুক্তরাজ্যে কনজ্যুমার কাউন্সিল গঠিত হয় ১৯৫৫ সালে। পরবর্তীকালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন একক আইন পাস করলে সেগুলো আরো শক্তিশালী ও ভোক্তাবান্ধব হয়।

ভোক্তাস্বার্থরক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে বিশ্বের ৪৭টি দেশ ইতিমধ্যে তাদের সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করেছে। শিল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল প্রায় সকল রাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এক বা একাধিক আইন পাস করেছে। অন্তত ৮৩টি দেশে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ভোক্তাদের সরাসরি অংশগ্রহণের বিধান রয়েছে। আমাদের দেশেও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন২০০৯ কার্যকর রয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অনেকেই মনে করেন, বিদ্যমান আইনেভোক্তাদের চেয়ে ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষায় অনেক বেশি তৎপরতা চোখে পড়ে।

সরকারের পক্ষ থেকে ক্রেতাস্বার্থ রক্ষায়‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর’সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রতিককালে তাদের পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অনেকেরই নজর কেড়েছে। অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবী বেশ কিছু সংগঠন ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে;কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ক্যাব তাদের অন্যতম।এছাড়াও বাংলাদেশ ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশন, ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন, কনজ্যুমারস ফোরাম, বাংলাদেশ কনজ্যুমারস রাইটস সোসাইটি, ভলান্টারি কনজ্যুমারস রাইটস সোসাইটি ইত্যাদি নামে বেশ কিছু সংগঠনের অস্তিত্ব নথিপত্রে পাওয়া যায়।

শিল্পোন্নত রাষ্ট্রগুলো তাদের নাগরিকদের জীবনের গুণগতমান, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রভৃতি কারণেপ্রয়োজনীয় আইনপ্রণয়ন ও কঠোরভাবে সেগুলোর বাস্তবায়ন করছে। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও তারা নিয়মিতভাবে কাজ করে। কিন্তু আমাদের দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হলেও যথাযথভাবে আইন মেনে চলা কিংবা নিজেদের সুরক্ষায় তৎপর হওয়ার বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত হচ্ছে উপেক্ষিত। ফলস্বরূপ আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। আইন থাকলেও (অধিকাংশক্ষেত্রে) সেগুলো থেকেকাঙ্খিত ফল লাভ হচ্ছে না।

ভোক্তা হিসাবে প্রতিটি পদক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াই যেন আমাদের নিয়তি। মাছে ফরমালিন শনাক্ত হওয়ার প্রথম ঘটনাটি সংবাদপত্রের মাধ্যমে জেনেছিলাম। এক ভদ্রলোক বড় একটা মাছ বাজার থেকে এনে বাসায় ঢোকামাত্র জানতে পারেন তাঁর এক নিকটাত্মীয় মারা গেছেন। ফলে তাড়াহুড়ো করে বাসার সবাই গ্রামের বাড়ীতে রওয়ানা হন। ভুলক্রমে মাছটি ফ্রিজে না ঢুকিয়ে, রান্নাঘরেই ফেলে যান। বেশ কয়েকদিন পরে বাসায় ফিরে তারা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করেন, মাছটি যেমন ছিল ঠিক তেমনি আছে! তখন বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরীক্ষা করে দেখা যায় ̶ফরমালিন থাকার কারণেই মাছটি এতোদিনেও পচে নাই।এমনিভাবে কার্বাইড দিয়ে ফল পাকানো, হরমমোন দিয়ে গরু-ছাগল মোটাতাজাকরণ, দামী ফলগুলোতে পচনরোধে ফরমালিন আর চকচকে করতে মোমের ব্যবহার বিষয়ে কমবেশি সবাই জানি। প্লাস্টিকের তৈরি চাউল বা ডিমের ছবিও মাঝেমধ্যে ভাইরাল হয়। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর ঠেকেছে একথা জেনে যে, বড় আকার পেতে ও স্বল্প সময়ে বিক্রয় উপযোগী করতে আজকাল লেবুতেও হরমোন ইনজেক্ট করা হয়! এমনকি কাঁচামরিচের পচনরোধেও ফরমালিনের ব্যবহার হয় বলে শোনা যায়।আমার এক প্রাক্তন ছাত্র ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে কর্মরত থাকার সুবাদে প্রায়শ এমন সব খবর নজরে আসে যা দেখে রীতিমতো গা শিউরে ওঠে।

নামীদামী ব্র্যান্ড বা শোরুমগুলোকে মানুষ উচ্চমূল্য পরিশোধ করে ন্যূনতম স্বাস্থ্যকর পণ্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারাও হতাশ করছে। অন্যদিকে সস্তা ও স্বস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রযুক্তিপণ্য থেকে উদ্ভুত বর্জ্যগুলো দীর্ঘমেয়াদে আমাদের মারাত্মক ক্ষতি করছে। জটিল কঠিন সব রোগে আক্রান্ত হওয়াটা ক্রমেই অনিবার্য হয়ে উঠছে। ভাঙ্গা রাস্তাঘাট যেমন গাড়ির প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল কমিয়ে দেয়; ঠিক তেমনিভাবে ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ দ্রব্যাদি বিপুলসংখ্যকমানুষকে অথর্ব ও কর্মক্ষম করে ফেলছে। তাদের চিকিৎসার জন্য প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়হচ্ছে। পঙ্গু ও বিকলাঙ্গ শিশু জন্মগ্রহণের ফলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের বোঝায় পরিণত হচ্ছে।

ভোক্তারা সংখ্যায় অনেক বেশি হলেওতারা সংগঠিত নয়। অপরদিকে, ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হওয়ায় বড় অপরাধ করেও সহজে পার পেয়ে যায়। তাছাড়া ব্যবসায়ীরা এখন স্থানীয় থেকে জাতীয় রাজনীতিতে বড় শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে তাদের ধরার মতো আইন থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তাছাড়া ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষায় যারা কাজ করার কথা তারাও বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে আর বিশেষ দিনগুলোতে র‌্যালি করেই খুব সম্ভবত তৃপ্তবোধ করেন। ফলে বেশকিছু সংগঠন থাকলেওতারা সত্যিকারের ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসাবে রোল প্লে করতে পারছে না।

দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দৃষ্টান্ত কম থাকাওঅসৎ ব্যবসায়ীদের বেপরোয়া হতেউদ্বুদ্ধ করে। কিছুদিন আগেও চীনে শিশুখাদ্যে ভেজাল দেওয়ায় অভিযুক্ত হওয়ার সাতদিনের মধ্যে বিচার করে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। অথচ আমাদের দেশে বিষাক্ত ওষুধ খেয়ে ৭৯ শিশুর মৃত্যুর বিচার সম্পন্ন করতে সময় লাগে২৬ বছর! তাও যে সাজা হয়েছে (মাত্র একজনের একবছর কারাদ-) তাতে অপরাধীরা ভয় পাবে, না উৎসাহিত হবে ̶সেটাই ভাবছি! কাউকে সরাসরি খুন করলে যদি সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে তবে পরোক্ষ খুনের দায়ে কেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায় না ̶তা আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে ধরা পড়ে না!

তবে যেকোনো সামাজিক ব্যধি বিস্তারেশুধু আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবই দায়ী থাকে না। সর্বস্তরে নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ, আইনের দারস্থ হওয়া বিষয়ে সাধারণ মানুষের ভীতি বা অনীহা ইত্যাদি ফ্যাক্টরওবিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাও মানুষের ভেতরে এই জাতীয় বোধ জাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিস্ময়করভাবে শিক্ষার হার বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে অসৎ, দুর্নীতিবাজ ও ঋণখেলাপি মানুষেরসংখ্যা বাড়ছে।

ক্রেতাদের দৃষ্টিভঙ্গীও এই প্রবণতার পেছনে কম দায়ী নয়।পণ্য কেনার সময় চকচকে, সজীব, ও সতেজগুলো ছাড়াআমরা ধরেও দেখি না। প্রশ্ন হলো ̶একটা ক্ষেতে যা উৎপাদন হয় তার সবই কীদৃষ্টিনন্দন সুন্দর হওয়া সম্ভব? উৎপাদন ও ভোগের স্থানের মধ্যে ব্যাপক দূরত্ব থাকার পরেও দোকানে কীভাবে সবসময় সতেজ পণ্য পাওয়ারপ্রত্যাশা করি? কিন্তু ক্রেতারা সেটা ছাড়া কিনতে চায় না। তাই ব্যবসায়ীরা যেভাবেই হোক সেটা সজীব রাখতে তৎপর হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে দেখেছি ̶পোকা খাওয়া বেগুন বেশি দামে বিক্রি হয়। কারণ সেটা রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই উৎপাদন হয়েছে। তাই আমাদেরও দৃষ্টিভঙ্গী বদলানো দরকার।

এগুলো থেকে প্রতিকারের জন্য অনেকেই কঠোর আইন প্রণয়নের কথা বলেন। কিন্তু বিদ্যমান আইন মোটেই অপর্যাপ্ত নয়। কিছু বিষয়ে সীমাবদ্ধতা থাকলেও আসল সমস্যা হলো এর প্রয়োগে। পর্যাপ্ত লোকবলের অভাব, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়া, টাল-বাহানা করে বিচারকাল বিলম্বিত করা, বাদীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বিবিধ কারণে দোষীরা সাধারণত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিদ্যামান আইনগুলো সম্পর্কে সচেতন করা এবং ওগুলোর ক্ষতিকর দিকসমূহতাদের কাছে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা দরকার। ভোক্তাদেরও নিজ নিজ করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ধর্মীয় বোধ ও অনুশাসন বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের অবগত করা দরকার। এবিষয়ে পাঠ্যপুস্তকে সচেতনতামূলক নিবন্ধ অন্তর্ভূক্ত করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব। কারণ আজকের শিক্ষার্থীরাইতো আগামীদিনের ব্যবসায়ী অথবা ভোক্তা।

ফিরে আসি সেই সিনেমা প্রসঙ্গে। প্রচলিত বিচার ব্যবস্থাদোষীদের চিহ্নিত করে সাজা দিতে ব্যর্থ হওয়ার প্রাক্কালে একজনমাত্র মিডিয়াকর্মীর (রাণী মুখার্জী) মনোযোগ ওউদ্যোগ ব্যাপকসাড়া ফেলে। বিচারের নামে টালবাহানার বিরুদ্ধে সৃষ্টি হয় প্রবল গণজোয়ার। আসলে গোটাবিশ্বে মিডিয়া এখনো শক্তিশালী;প্রচলিত গণমাধ্যম পরাস্ত হলে সোশ্যাল মিডিয়া দাঁড়িয়ে যায় বিকল্প হিসাবে।সবচেয়ে বড় কথা হলো ̶দেশের সকল মানুষ এর দ্বারা চরমভাবেআক্রান্ত ̶এমনকি যে কারবারী অপকর্মটি করছে সে নিজেও অসংখ্য ভেজাল পণ্যের ভোক্তা!তাই আমাদের নিজেদের ও পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষায়ধ্বংসাত্মক এই কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবী। কারণতিলে তিলে সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে অথচ কেউ কিছুই করতে পারবে না, কিংবা করবে না ̶তা হয় না, হতে পারে না!

ভালো লাগলে বন্ধুদের বলুন, মন্দ লাগলে আমাদের জানান

Leave a Reply

Follow Me

আপনার মস্তিষ্কের মালিকানা বুঝে নিন…

মস্তিষ্কের মালিকানা
error

করোনা কিন্তু করুণা করে না!!!

mahamid.biz@gmail.com
WhatsApp