গতিশীল থাকতে ব্যাঙ খাওয়া তত্ত্ব!
ব্যাঙ

গতিশীল থাকতে ব্যাঙ খাওয়া তত্ত্ব!

Summary:

Wafer cake sweet roll cheesecake ice cream gingerbread sweet. Wafer gingerbread apple pie cotton candy jelly. Toffee oat cake oat cake toffee tootsie roll muffin sugar plum.

‘গতিশীল থাকতে নিয়মিত ব্যাঙ খান’ ̶লেখার শিরোনাম হিসাবে এটাই প্রথম মাথায় এসেছিল। কিন্তু আমার কাছের একজনের সাথে আইডিয়াটা শেয়ার করা মাত্রইতীব্র প্রতিক্রিয়া পেলাম ̶ছিঃ ছিঃ, তুমি মানুষকে একটা হারাম জিনিস খেতে পরামর্শ দিবে!ব্যাঙখাওয়া আদৌ হারাম কি না ̶সে বিতর্কে যাইনি। কারণ আমার এইভাবনার সূত্রপাত হয়েছিল ইৎরধহ ঞৎধপু’র লেখা ঊধঃ ঞযধঃ ঋৎড়ম! বইটি পড়ার সময়। যুক্তিনির্ভর, সুখপাঠ্য ও দৈনন্দিনজীবনে প্রয়োগযোগ্য অসংখ্য টিপসসমৃদ্ধএই বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়েই ব্যাঙ খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও ‘এই ব্যাঙ মোটেই সেই ব্যাঙ নয়’ ̶যেটা আমার স্ত্রী ভেবেছিল, সম্ভবত আপনিও! বহুলপঠিত বইটির মূল ভাবনার সাথে আমাদের পারিপার্শ্বিক বাস্তবতা ও তত্ত্বটি প্রয়োগের নানা আঙ্গিক তুলে ধরাই আজকের নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

আমাদের বড় একটা সমস্যা হলো ̶অগ্রাধিকার ঠিক করতে না পারা! ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ‘৮০/২০ নীতি’ বহুলব্যবহৃত হলেও ব্রায়ান ট্রেসি তথ্য-প্রমাণ দিয়ে দেখিয়েছেন, দৈনন্দিন জীবনেও এই বিধির খুব একটা ব্যতিক্রম হয় না! অর্থাৎ মোটামুটি ২০ পার্সেন্ট কাজ, শতকরা ৮০ ভাগ অর্জনে ভূমিকা রাখে। আরো সহজ করে বললে ̶ধরা যাক,আজ সারাদিনে১০টি কাজ করাদরকার বলে আপনি মনে করছেন। এবার সেগুলির মধ্য থেকেসবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বেছে নিন। সেগুলি ঠিকঠাক করতে পারলেই ̶দিনশেষে আপনাকে আরপস্তাতে হবে না। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ঠিক ওই দু’টি কাজ নানা অজুহাতে ফেলে রেখে বাকীগুলো যত্ন-সহকারে করে! অথচ সেগুলোর অবদান হয়তো কোনোভাবেই মোট অর্জনের ২০ ভাগের বেশি হওয়া সম্ভব নয়! অর্থাৎ আপনার সহকর্মী হয়তো দিনে মাত্র দুইটি কাজ করে মজুরি পায় ৮০ টাকা; আর আপনি আটটি করেও ২০ টাকার বেশি পাচ্ছেন না! তাহলে ওই কাজ দু’টিই হলো আপনার ব্যাঙ ̶যা সাধারণত খাওয়ার রুচি হয় না!

লেখকের পরামর্শ হলো ̶নাশতার টেবিলে যতো উপাদেয় খাবারই থাক না কেন ̶প্রথমেই আপনি ব্যাঙ খান! আর যদি দুটো থাকে তবে কুৎসিত ব্যাঙটি দিয়ে শুরু করুন। অর্থাৎ সবচেয়ে কঠিন, আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বলে মনে হয় (কিন্তু তা এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই) এমন কাজদিয়েই শুরু হোক আপনার দিনটি। যতক্ষণ ওই কাজ শেষ না হয় ̶নিজের সাথে লড়াই করুন। সহজ ও করতে ভালো লাগে এমন কাজের ফাঁদে পড়লেই বিপদ। সেগুলি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে না পারলে, সারাদিন পরিশ্রম করেও হয়তো মজুরি পাবেন ২০ টাকা! তাছাড়া ব্যাঙযদি খেতেই হবে তবেতাজা থাকতেইখান। কারণ দিন যতো যাবে সেটা মরে পচে, দুর্গন্ধ ছড়াবে। তখন খেতে আরো কষ্ট হবে, তাই না? তাছাড়া এখনি যদি সেটা না খান, খুব সম্ভাবনা রয়েছে ̶লাফ দিয়ে সে অন্যের টেবিলে চলে যাবে! অর্থাৎ সামনে যে সুযোগ আছে তা আপনি গ্রিপে না নিলে ̶অন্য কেউ ঠিকই নেবে। তাই সবার আগে (কদাকার হলেও তাজা) ব্যাঙটি খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ!

কোনো কাজ করা বা না করারসিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বপ্রথম সেটার আউটকাম বিশ্লেষণ করা দরকার। যদিসুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যায় ̶কেমন পুরস্কার মিলবে;আর না করলে কতোটা খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। ফলাফলের মাত্রা যদি তীব্র হয়, ‘জীবনের অর্থ’কে দারুণভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে ̶তবে সেটাই সবার আগে করা দরকার। যে কাজের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব একেবারেই কম ̶সেটা না করলেও তেমন কিছু এসে যায় না। ট্রেসি’র মতে, দৈনন্দিন করণীয়গুলোর তালিকায় প্রতিটি কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী এ-বি-সি-ডি-ই লিখে নিজেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে হবে ̶কোনোমতেই ‘এ’ কাজ শেষ না করে ‘বি’ কাজে হাত দেব না। তাতে যদি সারাদিনে একটা কাজই করা যায় ̶তাতেও কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু ‘এ’ বাদ দিয়ে তালিকার অন্য সবগুলো কাজ করলেও বিপদ হতে পারে!

কলেজে আমাদের এক সহপাঠী সবসময় অ্যাকাউন্টিংয়ের অংক করত। ছেলের মোটা মোটা বই নিয়ে সারাদিন এমন পড়ালেখা দেখে তার মা-বাবা অতিশয় গর্ববোধ করত। কিন্তু রেজাল্টের দিন দেখা গেল ̶হিসাববিজ্ঞানে প্রায় লেটার মার্কস পেলেও সে ইংরেজিতে ফেল করেছে! অর্থাৎ পছন্দের বিষয় নিয়ে সারাদিন পড়ে থাকলেওকঠিন সাবজেক্ট ধরেও দেখেনি। আমরাও কী দৈনন্দিন জীবনে অহরহ এমন চর্চা করি না? তাহলে দিনশেষে কী ভিন্ন ফল আশা করতে পারি? তাই সংকোচ ঝেড়ে ফেলে কঠিন কাজটিই করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন, প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করুন ̶দেখবেন আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেছে।

তাছাড়া বড় ও কঠিন কাজের সুষ্ঠু সম্পাদন আমাদেরসীমাহীন তৃপ্তি দেয়, ঠিক বড় টুর্ণামেন্ট জেতার মতো; তদুপরি এই অনুভূতি আরো কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহ দেয়। অপরদিকে,বারংবার পরাস্তদের একসময় আর নতুন কাজে হাত দেওয়ার মনোবলটুকুও অবশিষ্ট থাকে না। কঠিন কাজ মোকাবেলায় লেখকতিনটি গুণ অর্জনেরপরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলি হলো ̶সিদ্ধান্তগ্রহণ, নিয়মানুবর্তিতা ও লক্ষ্য অর্জনে অবিচল থাকা। বিজয়ী আর বিজিতের মধ্যে মূলত পার্থক্য গড়ে দেয় দৈনন্দিনজীবনের এই বৈশিষ্ট্যগুলো।

অনেকেই ভাবি ̶এতো ভাবনা-চিন্তা’র কী আছে; শুরু করি ̶একসময় এমনি পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে ̶পরিকল্পনার জন্য মাত্র ১০ মিনিট ব্যয় করলে কাজটি সম্পাদনে অন্তঃত ৯০ মিনিট সময় বাঁচে (অনেকটা ‘সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়’র মতো)। অর্থাৎ কাজের পরিকল্পনায় সময় নষ্ট হয় না, বরং সময়, শ্রম ও সম্পদ বাঁচায়! দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরিকল্পনা থেকে সবসময় কঠিন কাজটি আগে করার নীতি গ্রহণ করলে নিশ্চিতভাবে তাকে শেষসময় গিয়ে টেনশনে পড়তে হবে না। তাছাড়া কাগজে-কলমে পরিকল্পনা করতে শেখাটা খুব দরকার। অনেকেই ভাবেন ডিজিটাল যুগে স্ক্রিনেই সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলবেন। কিন্তু ভাবনাগুলো কাগজে টুকে নিলে যতোটা গভীরভাবে মনোযোগী হওয়া যায় ̶তা সাধারণত অন্যভাবে হয় না। নিজেই নিজেকে ডেডলাইন দেওয়া এবং সেখান থেকে সরে না আসার অভ্যাস গড়ে তোলা ̶একটি বড় গুণ। নিয়মিত এটা করতে শিখলে একসময় অনেক কঠিন কাজকরাওঅভ্যাসে পরিণত হয়।

আসলে জীবনে যা যা করা দরকার বলে মনে করি তার সবগুলো করার জন্য ‘যথেষ্ঠ সময়’ আমরা কখনোই পাব না। প্রতিবছর গোটা দুনিয়ায় কতো ভালো ভালো বই লেখা হয়, দারুণ সব মুভি তৈরি হয়, সংগীত সৃষ্টি হয়, ধর্মীয়আলোচনা অনুষ্ঠান হয়, সামাজিক আয়োজন থাকে, মেলা বা প্রদর্শনী হয় ̶সবগুলো উপভোগ (বা অংশগ্রহণ) করতে পারলে ̶কতোই না ভালো হতো! কিন্তু সেটা সম্ভব নয় বুঝেই আমরা অগ্রাধিকার ঠিক করি। অনেকে দাওয়াত দেওয়ার সময়ই সিদ্ধান্ত নেই ̶সেখানে যাচ্ছি না। এটা দোষের কিছু নয় বরং সেটাই বাস্তবসম্মত। ঠিক তেমনিভাবে জীবনে যতো কিছু করার প্রয়োজনীয়তা প্রাথমিকভাবে অনুভব করি, যৌক্তিক বিশ্লেষণ শেষে তার অনেকগুলোই ছেড়ে দেই। অগ্রাধিকার বাছাইয়ের এই কাজটি যতো দক্ষতার সাথে করা যায়, ছোট্ট এই জীবনকে ততোবেশি অর্থপূর্ণ করা সম্ভবপর হয়। লেখকের মতেঅন্য অনেক স্কিলের মতো ̶এটাও চর্চার মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব।

নিজ পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দক্ষতা বাড়াতে প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখাটা জরুরি। আমাদের কিছু শিক্ষক নিজেদের ছাত্রজীবনে পড়া (তৈরি করা) নোট ক্লাসে পড়াতেন। ধরেই নিলাম, সেটা তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ জ্ঞান (?) ছিল, কিন্তু বিগত বছরগুলোতে দুনিয়াতো অনেকদূর এগিয়েছে। তাঁরা যখন শিক্ষার্থী ছিলেন তখন ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট চ্যানেলতো দূরের কথা ̶ফটোকপি মেশিনও ছিল না! ফলে সেদিনের জ্ঞানকে পুঁজি করেএখনোবুলি আওড়ালে ̶আজকের শিক্ষার্থীদের (যাদের হাতের মুঠোয় বিশ্ব চলে এসেছে) কাছে হাস্যকর হওয়া ছাড়া উপায় থাকে কী?

অথচ দিনে আধাঘন্টা (এমনকি তারচেয়েও কম) সময় যদি নিজ ক্ষেত্রের বইপত্র কিংবা ম্যাগাজিন পড়ার অভ্যাস থাকে তবে যুগের সাথে তালমিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া খুবই সম্ভব! আমরা অনেকেই ভুলে যাই ̶দিনে একঘন্টা দৈনন্দিন সংবাদ পড়া কিংবা টক শো দেখার চেয়ে এক পৃষ্ঠা বই পড়া অনেক বেশি কল্যাণকর। কারণ পপুলার ওইসব মাধ্যমের জ্ঞানগুলো কিছুক্ষণ পরই ‘বাসি’ হয়ে যায়। অথচ বইয়ের কথাগুলোর প্রভাব মাস, বছর এমনকি জীবনব্যাপীও হতে পারে!

৮৩টি আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে ̶মানুষ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে কোনো কাজে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী হতে পারে। কারণ তার সচেতন, অচেতন ও অবচেতন মনের ওপর তখন অন্যদের প্রভাব একেবারেই কম থাকে। সম্ভবত সেকারণেই ভোরে বেশ কিছুক্ষণ আমাদের ভালো লাগার দারুণ এক অনুভূতি কাজ করে! কিছু গবেষক এটাকে বলেছেন ‘মিরাকল মর্নিং’। ঘুম থেকে ওঠার পরপরই কিংবা অফিসে ঢোকার প্রথম এক দুই ঘন্টা সময়ই হলো ̶ব্যাঙ খাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়!অনেকেই এসময় সারাদিনে করা কাজের চেয়েও বেশি ‘সৃজনশীল কাজ’ করতে পারেন! কারণ বেলা যতো গড়াতে থাকে মানুষের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি ততোই বাড়তে থাকে ̶এমনকি দৃশ্যমানভাবে কোনো কাজ না করলেও!অথচ প্রকৃতির ‘অপূর্ব এই উপহার’কে অনেকেই ব্যয় করেন ̶যদু, মদু, জরিনা, সখিনাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস পড়ে বা ভেংচি কাটা ছবি দেখে; কিংবা অমুকের স্ক্যান্ডাল নয়তো তমুকের ডিভোর্সের খবর পড়ে!

মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, অনেক বড় কাজতোএকদিনে করা সম্ভব না ̶সেক্ষেত্রে কীভাবে অগ্রসর হওয়া উচিত? আচ্ছা, কোরবানীর বিশাল গরুটা পরিবারের মাত্র কয়েকজন সদস্য মিলে ২/৩ মাসের মধ্যেই সাবাড় করে ফেলেন কীভাবে? গরুটাকে প্রথমে কেটে অনেকগুলো ছোট ছোট প্যাকেটেভরে ফ্রিজে রাখেন। আর প্রতিবার রান্নায় এক প্যাকেট করে ব্যবহার করেন, তাই না? এখানে ব্যাঙ খাওয়ার পদ্ধতিও একই। অর্থাৎ পুরো কাজটিকে দশ, বিশ বা একশ ভাগে ভাগ করে প্রতিদিন অন্তঃত একভাগ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিন। দেখবেন সময়ের সাথে সাথে কাজটা এগোতে থাকলে মনেও শান্তি পাবেন, আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। দুনিয়ার অনেক বিখ্যাত লেখক এক সিটিংয়ে মাত্র একপৃষ্ঠা এমনকি এক প্যারা লিখেন ̶বছর শেষে তাদের এক বা একাধিক বই বের হয়। তাই সাধ্যাতীত লোড না নিয়ে, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে লেগে থাকলেই সফলতা পাওয়া সম্ভব।

আমরা অনেকেই অপছন্দের মানুষদের‘এতোই ভালোবাসি’ যে তাদের ভাবনা সবসময় আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে! অন্যদের সাথে সাক্ষাতে বা ফোনালাপে তার (অপছন্দের প্রতিবেশি/সহকর্মী) প্রসঙ্গে কিছু কথা না বললে তৃপ্তিই হয় না। আসলে সেই লোকটি খুবই ভাগ্যবান ̶কারণ আমাদের মতো সচেতন মানুষেরা নিয়মিত মেধা, শ্রম ও সময় ব্যয় করিতাকে কেন্দ্র করে! ওই সময়টুকু নিজের কাজ সম্পর্কে চিন্তা করলে বা সে বিষয়েআলাপ করলে হয়তো সহজ উপায়পাওয়া যেত। কারণ গবেষণা বলছে ̶অন্যের সমালোচনা ও তাদের বিষয়ে অভিযোগ করা বন্ধ করতে পারলে অন্তত ৩০ শতাংশ সময় ও এনার্জি সেভ হয় যা দিয়ে মোটামুটি সাইজের একটা ব্যাঙ খাওয়া সম্ভব!

একজন ইংরেজিতে ১০টি বাক্যের মধ্যে যদি ছোট্ট একটা ভুল করে ̶আমরা সেটার সমালোচনায় তৎপর হই। সে যে ৯০ শতাংশের বেশি সঠিক বাক্য বলেছে ̶তার কৃতিত্ব দিতে ভুলে যাই! উৎপাদনশীল হতে চাইলে এই প্রবণতা বাদ দিতে হবে। তাছাড়া ফলাফল যাই হোক তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং(সমস্যা আঁকড়ে ধরে না থেকে) সমাধানের উপায় খুঁজতে হবে ̶এই তিনটি চর্চা আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে দিতে সক্ষম। আর অতীত নিয়ে দুঃচিন্তা না করে ̶এখনি সঠিক ব্যাঙটি খাওয়া শুরু করুন ̶একসময় অতীত নিয়ে আপনিই গর্বিত হবেন!

ভালো লাগলে বন্ধুদের বলুন, মন্দ লাগলে আমাদের জানান

Leave a Reply

Follow Me

আপনার মস্তিষ্কের মালিকানা বুঝে নিন…

মস্তিষ্কের মালিকানা
error

করোনা কিন্তু করুণা করে না!!!

mahamid.biz@gmail.com
WhatsApp